কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে করণীয় ?

Comments · 68 Views

সব ভাইরাসের বাপ। রেগুলার আপডেট দিবেন। ইউএসবি যে কিছু ঢুকালে তা আগে স্ক্যান করে নিন।

এখানে খুব সহজেই বলা যায় যে, ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায় হচ্ছে একটি ভালো অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ইন্সটল করা, যেটি আপনার পিসিকে ভাইরাস থেকে ১০০% সুরক্ষা প্রদান করবে। কিন্তু বিষয়টা ঠিক এতোটা সহজ নয়।

হ্যাঁ, অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ইন্সটল করা হচ্ছে ভাইরাস থেকে বাঁচার তুলনামুলকভাবে বেশি কার্যকরী এবং সহজ উপায়। কিন্তু অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম আপনার পিসিকে ভাইরাস থেকে ১০০% সুরক্ষা প্রদান করে, এটি একটি ভুল ধারণা। তাই একটি ভালো অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ইন্সটল করে নিশ্চিন্ত থাকার কোন মানে নেই। আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত উন্নত হওয়ার সাথে সাথে কম্পিউটার ভাইরাসগুলোও আরও বেশি উন্নত এবং আরও বেশি শক্তিশালী হচ্ছে। তাই একটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম আপনাকে ১০০ ভাগ সুরক্ষা প্রদান করতে পারবে না।

ভাইরাস থেকে সম্পূর্ণভাবে বাঁচতে হলে এবং ভাইরাস এর বিষয়ে একেবারে নিশ্চিন্ত থাকতে হলে আপনাকে আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। আমি কয়েকটি উপায় বলছি যেগুলো অবশ্যই মাথায় রাখবেন যদি ভাইরাস থেকে সম্পূর্ণভাবে বাঁচতে চান।

→ সম্ভব হলে অবশ্যই পেইড অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করুন। ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস খারাপ নয়, কিন্তু সেগুলো পেইড ভার্শনের মত এত বেশি ফাংশনালিটি অফার করবে না।

→ আপনার অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম সবসময় ১০০% আপডেটেড রাখুন। নিয়মিত ভাইরাস ডেফিনেশন আপগ্রেড করুন।

→ যেকোনো ধরনের উইন্ডোজ আপডেট আসলে যত দ্রুত সম্ভব উইন্ডোজ আপডেট করুন। আপডেট কখনোই অবহেলা করবেন না। (মোস্ট ইম্পরট্যান্ট)

→ সবসময় ট্রাস্টেড ওয়েবসাইট থেকে প্রোগ্রামস এবং সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড করার পরেও ফাইলটি স্ক্যান না করে ওপেন করবেন না।

→ কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় ব্রাউজার থেকে ভিজিট না করার জন্য কোন ধরনের ওয়ারনিং আসলে, কখনোই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন না।

→ কোন প্রোগ্রাম যদি আপনার কাছে সাসপিশিয়াস মনে করে বা আপনার কাছে সন্দেহজনক মনে হয়, সেটি আনইন্সটল করে দিন।

→ কোন ধরনের পিসি স্পীড বুস্টার বা র‍্যাম ক্লিনার ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

→ পিসিতে যেকোনো রিমুভেবল ড্রাইভ ইনসার্ট করার আগে অবশ্যই সেটি ভালভাবে অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম দিয়ে স্ক্যান করে তারপর ওপেন করবেন।

→ অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামে যদি শিডিউলড স্ক্যান বা অটোমেটিক স্ক্যান অন রাখার অপশন থাকে, তবে তা অন রাখুন।

→ সম্ভব হলে প্রত্যেকদিন আপনার ডেটা ইউজেস চেক করুন। যদি মনে হয় যে বিনা কারণেই ডেটা ব্যাবহার হচ্ছে, তাহলে সাথে সাথে নেট ডিসকানেক্ট করুন এবং ভাইরাস স্ক্যান করুন এবং যদি দরকার হয়, উইন্ডোজ রি-ইন্সটল করুন।